র্যাবের সেই তিন কর্মকর্তা যেকোনো সময় গ্রেপ্তার
Posted by : Jhinuk / on :Sunday, May 11, 2014
বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানির পর রুল জারির পাশাপাশি পুিলশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) প্রতি এ আদেশ দেন৷
তবে উচ্চ আদালতের এই আদেশ গতকাল রোববার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তরে পেৌছানো ৷ পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, আদালতের আদেশ শোনার পর তাঁরা যোগাযোগ করেছেন৷ কিন্তু রাত পর্যন্ত কোনো আদেশ তাঁদের হাতে আসেনি৷ আদালতের আদেশ পেলেই তাঁরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন৷
এদিকে রাত ১০টায় সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার এ কে এম শামসুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে ফ্যাক্সযোগে আদেশের কপি আইজিপি বরাবরে পাঠানো হয়েছে৷
রাতে আবারও পুলিশ সদর দপ্তরে যোগাযোগ করা হলে সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি৷
নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের ঘটনার পর সেনাবাহিনীর দুজন ও নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়৷ এই তিন কর্মকর্তাকেই হাইকোর্ট গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছেন৷ তাঁরা হলেন র্যাব-১১-এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর আরিফ হোসেন ও নারায়ণগঞ্জ ক্যাম্পের সাবেক প্রধান লে. কমান্ডার এম এম রানা৷ সেনাবাহিনীর দুজনকে অকালীন ও নৌবাহিনীর একজনকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়৷
তিন কর্মকর্তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সেনাবাহিনীর দুই কর্মকর্তাকে অকালীন অবসর দেওয়া হয়েছে৷ নিয়ম অনুসারে তাঁরা চাকরি যাওয়ার পর এক বছর (প্রাক-অবসরকালীন ছুটি—পিআরএল) সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন৷ তাঁরা এক বছর সেনানিবাসের বাসাও ব্যবহার করতে পারবেন৷ এতে ধরে নেওয়া হয়েছে, দুই কর্মকর্তা সেনাবাহিনীর বাসাতেই আছেন৷ তবে নৌ সদর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে, চাকরি হারানো কর্মকর্তা লে. কমান্ডার এম এম রানা নৌবাহিনীর বাসায় নেই৷ বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার পর তিনি কাগজপত্র নিয়ে চলে গেছেন৷ এখন তিনি কোথায় আছেন, তা নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা জানেন না৷
আদালত সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জে নিহত সাতজনের মৌলিক অধিকার রক্ষায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণে বিবাদীদের ব্যর্থতা চ্যালেঞ্জ করে নিহত চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল, আমরা নারায়ণগঞ্জবাসী সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি মাহবুবুর রহমান ইসমাঈল ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন গতকাল একটি রিট করেন৷ এতে তদন্তের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়৷
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন৷ সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী ও রমজান আলী সিকদার৷ রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার উপস্থিত ছিলেন৷ রুলে সংবিধানের ৩১, ৩২, ৩৬, ৪২ ও ৪৪ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় পুলিশ, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিদ্যমান আইন সংশোধন, হালনাগাদ করার বিষয়টি কেন সক্রিয় বিবেচনায় নিতে নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে৷ সেই সঙ্গে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আইনের দুর্বলতা সংশোধনে দ্রুত ও যথাযথ পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়৷ দুই সপ্তাহের মধ্যে স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, জনপ্রশাসন সচিবসহ বিবাদীদের জবাব দিতে বলা হয়৷শুনানিতে কামাল হোসেন বলেন, ‘বেঁচে থাকার অধিকার মানুষের সবচেয়ে বড় মৌলিক অধিকার৷ সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এসব অধিকার কার্যকরে দেশের যেকোনো নাগরিকের হাইকোর্টে আসার অধিকার আছে৷ দেশে একের পর এক গুম, অপহরণ, হত্যার ঘটনা ঘটছে৷ এই অবস্থায় আমরা অসহায় হতে পারি না৷’
কামাল হোসেন বলেন, ‘এর আগে এ বি সিদ্দিককে অপহরণ করা হয়েছিল৷ সৌভাগ্যবশত তাঁকে আমরা ফেরত পেয়েছি৷ চন্দন সরকার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির একজন আইনজীবী৷ তাঁকে প্রকাশ্য অপহরণ করা হয়৷ তিন দিন পর শীতলক্ষ্যায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়৷ শুনানিতে কামাল হোসেন বলেন, শুধু ২৭ এপ্রিলের ঘটনাই নয়, এর আগেও বিনা বিচারে হত্যা, খুন ও গুমের ঘটনা ঘটেছে৷ অনেকের লাশ পাওয়া গেছে, অনেকের যায়নি৷ নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র যথাযথ ভূমিকা পালন করবে বলে সংবিধান নিশ্চয়তা দিয়েছে৷ সংবিধান অনুযায়ী, কারও লাগামহীন ক্ষমতা নেই৷
শুনানিকালে আদালত আইনজীবীকে আবেদনের প্রার্থনার অংশ স্পষ্ট করতে বলেন৷ পরে আইনজীবী আবেদন সংশোধন করে দেন৷ রিট আবেদনের ওপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুনানি হয়৷ শুনানি শেষে একটার দিকে আদালত রুলসহ আদেশ দেন৷ আদেশের পর আদালত বলেন, নিশ্চয়ই কোনো ইনডিকেশন (ইঙ্গিত) পাওয়া গেছে৷ তা না হলে তাঁদের অবসরে পাঠানো হতো না৷ হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ ব্যাপারে আদেশ দিয়েছিলেন৷ সে সময় তাঁদের সামনে হয়তো এ বিষয়টি ছিল না৷ না হলে ওই বেঞ্চ গ্রেপ্তারের আদেশ দিতেন৷ আদালত বলেন, স্বতঃপ্রণোদিত আদেশের সঙ্গে এই রিটের শুনানি হবে৷
গত ২৭ এপ্রিল দুপুরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজন৷ এর তিন দিন পর ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যায় একে একে ভেসে ওঠে সাতজনের মরদেহ৷ এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে মামলা করে নজরুলের পরিবার৷ ৪ মে নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম ওরফে শহীদ চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, ছয় কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবের তিন কর্মকর্তা ওই সাতজনকে অপহরণ ও খুন করেছেন৷
৫ মে হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এ ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন বিবেচনায় নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত রুল জারির পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন৷ এতে সাতজনকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কোনো গাফিলতি আছে কি না, এটিসহ পুরো ঘটনা তদন্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে সাত সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়৷ এ ঘটনায় র্যাবের সম্পৃক্ততা আছে কি না, সে বিষয়ে বিভাগীয় তদন্ত করতে র্যাবের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়৷ এ ছাড়া এ ঘটনায় করা মামলা গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পাশাপাশি সিআইডিকে (অপরাধ তদন্ত বিভাগ) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়৷
এ বিষয়ে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম কে রহমান গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, গোয়েন্দা বিভাগের পাশাপাশি সিআইডিকে মামলা তদন্তের নির্দেশনার বিষয়টি স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে৷ এতে জটিলতা হতে পারে৷ চেম্বার বিচারপতি আবেদনটি নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দিয়েছেন৷
হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে চলতে বললেন প্রধানমন্ত্রী : ইউএনবি জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনার প্রেক্ষাপটে হাইকোর্টের রুল অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে নির্দেশ দিয়েছেন৷ গতকাল রাতে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আসাদুজ্জামান৷ এ সময় তাঁকে এ নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী৷
কিম-ওয়েস্টের বিয়ের ঘোষণা
Posted by : Jhinuk / on :Tuesday, May 6, 2014
রিয়েলিটি টিভি স্টার কিম কার্দাশিয়ান অবশেষে তার র্যাপার বয়ফ্রেন্ড কেনি ওয়েস্টের সাথে সম্পর্ক নিয়ে প্রচারিত গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন। না, তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ নয়। কিম আর ওয়েস্ট অফিসিয়ালি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। সম্প্র্রতি বেশ কটি মিডিয়ায় এ নিয়ে নানা ধরনের গল্প চাউর হচ্ছিল। অবশেষে কিম তার খবরের সত্যতা প্রকাশ করেছেন তার একটি সাক্ষাত্কারে।
এখন মিডিয়ায় তাদের সংসার ও হানিমুনের বিষয়ে নানা প্রশ্নে কিম রেগে বলেছেন, 'এ নিয়ে আর কোনো কথা নয়।' জানা গেছে তারা নিজেদের হানিমুনসহ বন্ধুদের নিয়ে পার্টির কাজটি সারবেন প্যারিসে।
এখন মিডিয়ায় তাদের সংসার ও হানিমুনের বিষয়ে নানা প্রশ্নে কিম রেগে বলেছেন, 'এ নিয়ে আর কোনো কথা নয়।' জানা গেছে তারা নিজেদের হানিমুনসহ বন্ধুদের নিয়ে পার্টির কাজটি সারবেন প্যারিসে।
পুনমকে নিয়ে আবারও বিতর্ক
Posted by : Jhinuk / on :
‘মরীচিকা’ চলচ্চিত্রে চুক্তিবব্ধ হলেন তাহসান-ফারিয়া
Posted by : Jhinuk / on :
বিয়ের পরও লুকোচুরি খেলছেন রানী-আদিত্য
Posted by : Jhinuk / on :
বিয়ের পর ‘চোরি চোরি চুপকে চুপকে’ তারকা রানীকে নিয়ে মুম্বাইয়ে নিজের বাংলোতে উঠেছেন ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে’ ছবির নির্মাতা আদিত্য চোপড়া। বাংলোকে রীতিমতো দুর্গই বানিয়ে ফেলেছেন আদিত্য। বাংলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা এত বেশি জোরদার করা হয়েছে যে ভেতরের কোনো কিছুই জানতে পারছে না কেউ। সম্প্রতি এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে মিড-ডে ডটকম।
রানী-আদিত্যর দেশে ফেরার খবর জানার পর থেকেই তাঁদের বাড়ির আশপাশে ওত পেতে আছেন আলোকচিত্রীরা। উদ্দেশ্য—যে করেই হোক নতুন দম্পতিকে ক্যামেরাবন্দী করা। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আলোকচিত্রীরা যেন সেই সুযোগ না পান, তার সব বন্দোবস্তই করে রেখেছেন আদিত্য।
এ প্রসঙ্গে একজন আলোকচিত্রীর ভাষ্য, ‘আমি নিয়মিতই চোপড়া বাংলো রেকি করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এমনিতেই পুরো বাংলোর চারপাশ উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা। সেই দেয়ালের ওপর আবার দুই ফুট উচ্চতার সাদা পর্দা জুড়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে করে বাংলোর ভেতরে কী হচ্ছে কোনোভাবেই তা বাইরে থেকে দেখা না যায়।’
রানী-আদিত্য দেশে ফেরার পর ঘটা করে বিয়ের উত্সব উদযাপন করবেন বলেই জানিয়েছিলেন তাঁদের আত্মীয়-স্বজনেরা। কিন্তু এখন পর্যন্ত রানী বা আদিত্যর পক্ষ থেকে কোনো কিছুই নিশ্চিত করা হয়নি। এমনকি তাঁদের বাংলোতে বিয়ের উত্সব আয়োজনের কোনো প্রস্তুতিও এখন পর্যন্ত চোখে পড়েনি।
প্রসঙ্গত, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইতালিতে ২১ এপ্রিল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন বলিউডের বহুল আলোচিত প্রেমিকযুগল রানী মুখার্জি ও আদিত্য চোপড়া। এক বিবৃতির মাধ্যমে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে যশরাজ ফিল্মস কর্তৃপক্ষ। রানী নিজেও এক সংবাদ বিবৃতির মাধ্যমে তাঁর ভক্তদের নিজের বিয়ের খবর জানান।
যশরাজ ফিল্মসের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা দিচ্ছি যে, মিস্টার আদিত্য চোপড়া এবং মিস রানী মুখার্জি ২১ এপ্রিল রাতে ইতালিতে বিয়ে করেছেন। তাঁদের পরিবারের সদস্য ও কাছের বন্ধু-বান্ধবদের উপস্থিতিতে অনাড়ম্বর ও ঘরোয়াভাবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে।’
অন্যদিকে সংবাদ বিবৃতির মাধ্যমে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন ‘বিয়ের ফুল’খ্যাত বাঙালি বংশোদ্ভূত বলিউডের তারকা অভিনেত্রী রানী মুখার্জি। রানী তাঁর বিবৃতিতে লেখেন, ‘ইতালিতে চমত্কার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি আর আদি (আদিত্য চোপড়া) বিয়ে করেছি। আমাদের পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজন বন্ধু-বান্ধব বিয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ভক্তদের সঙ্গে আমার জীবনের সবচেয়ে খুশির দিনটির আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছি। আমার জীবনের যাত্রায় সব সময় তাঁদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেয়েছি। আমি খুব ভালো করেই জানি, আমার শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিশেষ এই দিনটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। আমি এও জানি, আমার বিয়ের খবর পেয়ে তাঁরা আমার জন্য অনেক বেশি আনন্দিত হবেন।’
নিজের জীবনকে রূপকথার গল্পের সঙ্গে তুলনা করে রানী আরও লেখেন, ‘শিশুকালে রূপকথার গল্পগুলো সত্য বলেই মনে হতো আমার কাছে। ঈশ্বরের কৃপায় রূপকথার গল্পের মতোই একটি জীবন আমি পেয়েছি। বিয়ের মধ্য দিয়ে জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে প্রবেশ করলাম। আশা করছি, সামনের দিনগুলোতেও রূপকথার গল্পের মতোই আমার জীবনপ্রবাহ চলতে থাকবে।’
আদিত্যর প্রথম স্ত্রী পায়েল খান্না। ২০০৯ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। সেই থেকে রানী-আদিত্যর প্রেম নিয়ে নানা কানা-ঘুষা চলেছে বলিউডে। বছরের পর বছর ধরে প্রেম করলেও, কখনোই তা মুখে স্বীকার করেননি রানী-আদিত্য। বরাবরই নিজেদের প্রেমের সম্পর্ককে গোপন রেখেছেন তাঁরা। বিশেষ করে আদিত্য তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিডিয়ার সামনে কথা বলতে একদমই রাজি ছিলেন না। কারণ বিষয়টি রীতিমতো অস্বস্তিকর তাঁর কাছে। কিন্তু তার পরও বিভিন্ন সময়ে এ জুটির হাঁড়ির খবর ফাঁস করেছে মিডিয়া।
রানীর অনামিকায় বিশাল একটি হীরার আংটি দেখা যাওয়ার পর চলতি বছরের শুরুর দিকে আদিত্যর সঙ্গে তাঁর বাগদানের খবর চাউর হয়। শুধু তাই নয়, ১০ ফেব্রুয়ারি যোধপুরের উমাইদ ভবন প্রাসাদে তাঁরা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন বলেও খবর রটেছিল।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না হলেও গত জানুয়ারি মাস থেকে এক ছাদের নীচেই বসবাস করছিলেন রানী ও আদিত্য। এ প্রসঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছিল, প্রিয়তমার কাছ থেকে একমুহূর্তও দূরে থাকতে চান না আদিত্য। এ জন্য তিনি জুহুতে রানীর বাংলোয় উঠেছেন। সেখানে এক ছাদের নিচেই বসবাস করছেন তাঁরা।
প্রেম-বিয়ে নিয়ে এমন নজিরবিহীন লুকোচুরি খেলার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন, আদৌ রানী-আদিত্য দম্পতিকে জনসমক্ষে দেখা যাবে কি না! কিংবা রানী-আদিত্যর বিয়ের ছবি দেখার সৌভাগ্য কারও হবে কি না! কারণ কোনো অবস্থাতেই মিডিয়ার মুখোমুখি হতে চান না আদিত্য। বহুবার এর প্রমাণ তিনি দিয়েছেন। বলিউডে অনেকেই তাঁকে নিয়ে মজা করে মন্তব্য করেছেন, বাস্তবে কি আদিত্য চোপড়ার অস্তিত্ব আছে!
ছবির উদ্বোধনী প্রদর্শনী, অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানে কখনোই দেখা যায় না আদিত্যকে। একবার একটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়ার সময় আদিত্যর পিছু নিয়েছিলেন আলোকচিত্রীরা। তখন দৌড়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। গত দুই দশকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ঘুরে-ফিরে আদিত্যর মাত্র চারটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে। একটি ছবি ১৯৯৫ সালে তোলা। বেশ কয়েক বছর পর তাঁকে ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছিল একটি প্রেক্ষাগৃহের বাইরে। এ ছাড়া ২০১২ সালের জানুয়ারিতে মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রানী ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁকে ক্যামেরাবন্দী করতে পেরেছিলেন আলোকচিত্রীরা। একই বছরের শেষের দিকে রানীর বাংলোয় আয়োজিত দিওয়ালি অনুষ্ঠানে আদিত্যর ছবি তোলা হয়েছিল।
সেল ফোন ক্যামেরার যুগে নিজেকে এভাবে আড়ালে রাখতে পেরে ভালোই মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন আদিত্য। কারণ বলিউডের নির্মাতা কিংবা তারকাদের পেছনে সবসময় লেগে থাকেন আলোকচিত্রীরা। ভক্ত-দর্শকরাও সুযোগ পেলেই তাঁদের সেলফোনে পছন্দের তারকা কিংবা নির্মাতার ছবি তুলতে ভুল করেন না। আর বলিউডের তারকা-নির্মাতারা কিছু একটা করলেই তা নিয়ে ফলাও করে খবর প্রকাশিত হয়। বিয়ের পরও রানী-আদিত্যর লুকোচুরি খেলা কবে শেষ হয় সেটাই এখন দেখার বিষয়।
মদ্যপ ছিলেন সালমান, বললেন দুই সাক্ষী
Posted by : Jhinuk / on :
দুর্ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত দুই সাক্ষী আজ আদালতকে বলেছেন, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন সালমান। দুর্ঘটনার পরপরই গাড়ির চালকের আসন থেকে নেমে আসেন তিনি। অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
বলিউডে তুমুল জনপ্রিয়তার পাশাপাশি অসংযত জীবনযাপনের জন্য কুখ্যাতি আছে সালমানের। এ জন্য তিনি ‘ব্যাড বয়’ তকমাও পেয়েছেন। ২০০২ সালের সেপ্টেম্বরে মুম্বাইয়ে গাড়িচাপা দিয়ে মানুষ হত্যার অভিযোগে মামলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে। ওই দুর্ঘটনায় একজন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আহত হয়েছিলেন ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা আরও চার ব্যক্তি।
দুর্ঘটনার সময় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন সালমান। কিন্তু বরাবরই এ ‘দাবাং’ তারকার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি নিজে গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। ২০০৫ সালে সালমানের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। কোনো এক অজানা কারণে তাঁর প্রতি নমনীয় আচরণ করেন আদালত। বেপরোয়া ও অসতর্কভাবে গাড়ি চালানোর কারণে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে রায় দেওয়া হয়। এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা মাত্র দুই বছরের কারাদণ্ড।
পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালে সালমানকে কঠোর সাজা প্রদানের দাবি তোলা হয় মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে। পরে মামলাটির বিচার কার্যক্রম আবার শুরু হয়। যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর গত বছর ইন্ডিয়ান পেনাল কোডের ৩০৪ (২) ধারায় সালমানের সাজা হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানানো হয় আদালতের পক্ষ থেকে। গুরুতর এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।
বিষয়টি জানার পরপরই আপিল করেন সালমান। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলার বিচার কার্যক্রম আবার পিছিয়ে যায়। কয়েক দফা শুনানির পর আজ আবার মামলাটির শুনানি হয়। দোষী সাব্যস্ত হলে ১০ বছরের জেলের ঘানি টানতে হতে পারে ৪৮ বছর বয়সী এ তারকা অভিনেতাকে।
মৌসুমীর ‘শূন্য হৃদয়’
Posted by : Jhinuk / on :
আবারও ক্যামেরার পেছনে কাজ শুরু করলেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনী নায়িকা মৌসুমী। তৃতীয়বারের মতো চলচ্চিত্র পরিচালনা শুরু করেছেন তিনি। মৌসুমী পরিচালিত নতুন ছবিটির নাম ‘শূন্য হৃদয়’। চলতি সপ্তাহের শুরুতে রাঙামাটিতে ছবিটির শুটিং শুরু হয়েছে। পরিচালনার পাশাপাশি ছবিটিতে অভিনয়ও করছেন মৌসুমী। ‘শূন্য হূদয়’ মৌসুমী পরিচালিত তৃতীয় চলচ্চিত্র। ছবিটি তৈরি হচ্ছে ইমপ্রেস টেলিফিল্মসের ব্যানারে।
‘শূন্য হৃদয়’ ছবিটিতে মৌসুমীর বিপরীতে নায়ক হিসেবে আছেন ফেরদৌস। এই জুটি সম্প্রতি দিলশাদুল হক শিমুল পরিচালিত ‘লিডার’ নামের আরেকটি ছবিতেও জুটি বেঁধে অভিনয় করেছে।ছবি পরিচালনা প্রসঙ্গে ‘প্রথম আলো’কে মৌসুমী বলেন, ‘ইমপ্রেস টেলিফিল্ম আমাকে চলচ্চিত্র পরিচালনার সুযোগ করে দিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে আমি ছবি নির্মাণের পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়েছি।’ মৌসুমী পরিচালিত প্রথম ছবি ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ মুক্তি পায় ২০০৩ সালে। দুই বছর পর তিনি গুলজারের সঙ্গে যৌথভাবে ‘মেহের নিগার’ ছবিটি পরিচালনা করেন।
